মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬

পানি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও বিস্তার এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক প্রায়োগিক গবেষণা প্রকল্প।

প্রকল্পের সুবিধাভোগিদের তালিকা: ২০১৫-১৬.......                                ২০১৬-১৭..........

 

বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এপ্রিল ২০১৫ হতে ডিসেম্বর  ২০১৯ মেয়াদী একটি চলমান প্রকল্প। জবলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুকি মোকাবেলায় ধান, দানা জাতীয় শষ্য এবং বিভিন্ন সব্জি উৎপাদনে সেচের পানি, উৎপাদন উপকরণ ও জ্বালনী সাশ্রয়ী পরিবেশ বান্ধব রেইজড বেড, এসআরআই, এডবিস্নউডি এবং  ট্রাইকো কম্পোস্ট প্রযুক্তির বহুল প্রচলন, জনপ্রিয়করণ ও মাঠ পর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণের নিমিত্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে ।

 

ভূমিকা

বছরব্যাপী ফসল উৎপাদনের জন্য সেচ অপরিহার্য। মোট ব্যবহৃত পানির ৯৭ ভাগ সেচ কার্যে ব্যবহার হয়। ভূগর্ভস্থ পানির তুলনায় উপরিভাগের পানি সেচের জন্য অধিক উপযোগী হলেও শুষ্ক মৌসুমে ভূ-উপরিস্থ পানির প্রাপতা/পর্যাপ্ততা না থাকায় দেশের ৭৮ ভাগ সেচ ভূগর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরশীল। তাই সেচ কার্য পরিচালনায় প্রতিবছর গভীর ও অগভীর নলকূপের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করা হচ্ছে। উলেস্নখ্য, প্রচলিত সেচ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে প্রতি কেজি ধান উৎপাদনে প্রায় ৩-৪ হাজার লিঃ সেচ পানি প্রয়োজন। অতিমাত্রায় ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণে ভূগর্ভস্থ পানিসত্মরের ক্রমাগত নিমণগামিতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলশ্রম্নতিতে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে তেমনি বেড়ে যাচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের সংমিশ্রন, মাটির জৈব উপাদান ও পুষ্ঠিমান কমে যাচ্ছে এবং মাটি হারাচ্ছে তার গুণগতমান। এসকল সমস্যাসমুহ মোকাবেলায় ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমানো, মাটির গুণগত মান রক্ষা, ফসলের উৎপাদন বাড়ানো, উৎপাদন ব্যয় কমাতে জধরংবফ ইবফ প্রযুক্তি উপর সিআইডবিস্নউএম, আরডিএ-কর্ণেল বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র যৌথ গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে বেড পদ্ধতিতে ফসল চাষে ৪২ ভাগ সেচ পানি সাশ্রয় হয়। ধানের ফলন ২০ ভাগ  পর্যমত্ম বৃদ্ধিসহ ১৮-২০ ভাগ ইউরিয়া সার কম লাগে। একবার বেড তৈরী করা হলে স্থায়ী বেডে বিনা চাষে পরবর্তী অনেকদিন ধরে ফসল ফলানো যায়। AWD প্রযুক্তি নিয়ে আরডিএ-ব্রি, এডিবি’র অর্থায়নে IRRI এর সাথে যৌথভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে গবেষণা পরিচালনার ফলাফলে দেখা গেছে ধান চাষে ১০-৩০ ভাগ পানি সাশ্রয় হয়। এছাড়াও আরডিএ-কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন (কেজিএফ) Improvement of rice based cropping systems বিষয়ক যৌথ গবেষণা দেখা যায়  ঝজও প্রযুক্তির মাধ্যমে সেচ পানি, বীজ সাশ্রয়সহ বোরো ও আমন মৌসুমে ধানের ফলন ২০ ভাগ এর অধিক বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। এ সকল গবেষণার ধারাবাহিকতা রক্ষা AWD, RB ও SRI প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার, প্রচলন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ভূগর্ভস্থ পানির নিমণগামিতা রোধ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সর্বোপরি দারিদ্র বিমোচনে সহায়ক ভূমিকা পালনে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে চার বছর মেয়াদী ‘‘পানি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও বিস্তার এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি’’ শীর্ষক প্রায়োগিক গবেষণা  প্রকল্পটি বাসত্মবায়িত হচ্ছে।

 

সেচ পানির পরিমিত ব্যবহারে প্রকৌশলগত দিক

আদর্শ মাটিতে সাধারণতঃ পানির পরিমাণ ২৫ ভাগ, যা মৃত্তিকা কণার ফাকা অংশে (pore space) অবস্থান করে। মাটিতে সেচ প্রদান করলে এই ফাকা অংশ পানি দ্বারা পূর্ণ হয়। সম্পূর্ণ ফাকা অংশ পানি দ্বারা পূর্ণ হলে মাটির এ অবস্থাকে পরিতৃপ্ততা (saturation limit) বলে। এর পরেও পানি প্রদান অব্যাহত রাখলে মাটির উপরে স্থির পানি (standing water) পরিলক্ষীত হয়। এই পানি সাধারণতঃ অভিকর্ষিয় বলের কারণে মৃত্তিকা সত্মরে অনুপ্রবেশ (percolation) ও গভীর অনুপ্রবেশ (deep percolation) প্রক্রিয়ায় gravitational water হিসেবে পরিশ্রম্নত হয়। অবশিষ্ট পানি যা অভিকর্ষীয় বলের বিপরিতে মৃত্তিকা কণার ফাকা অংশে ধরে রাখে মাটির এই অবস্থাকে Field Capacity বলে। এই পানি বাষ্পীয়ভবন এবং ফসল গ্রহণ করে ক্রমান্বয়ে নিঃশ্বেষিত হয়ে এমন পর্যায়ে আসে যখন মাটিতে সামান্য পরিমাণ পানি থাকলেও তা মাটি এমনিই শক্তভাবে ধরে রাখে যে ফসল তার প্রয়োজনীয় পানি গ্রহণ করতে পারে না এই অবস্থাকে নেতানো অবস্থা বা wilding point বলে। মাটির এই নেতানো অবস্থা এবং Field Capacity’র  মধ্যবর্তী পানির পরিমাণকে প্রাপ্তিসাধ্য পানি (available water) বলে যা ফসলের বর্ধন/শরিরবৃত্তীয় কাজের জন্য উপযোগী। মাটির এই পরিমাণ পানির ঘাটতি মেটানোর জন্যই আমরা সেচ প্রদান করে থাকি। এই পরিমাণ পানির অতিরিক্ত পানি সরবরাহ করলে তা অপচয় হিসেবে গণ্য হয়। তাছাড়া মাটিতে স্থির পানির গভীরতা যতই বাড়ানো হবে ততই অনুপ্রবেশ প্রক্রিয়া (deep percolation) তরান্বিত হবে। এ সকল দিক বিবেচনায় নিয়ে সেচ পানির অপচয় রোধে অডউ এবং জধরংবফ ইবফ পদ্ধতিতে সেচ প্রদানের পদ্ধতি কৃষক পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। কৃষদের বিষয়টি হাতে কলমে প্রদর্শণের জন্য কাটথ্রট-ফুম ব্যবহার করে সেচ পানির পরিমাপের কৌশল শেখানো হচ্ছে। নিমেণ মাটির আর্দ্রতা ও সেচ পানির গতিবিধি (Soil Moisture Movement) চিত্রে মাধ্যমে প্রদর্শিত হলোঃ

 

 

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য

আধুনিক পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা করাই প্রস্তাবিত প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।

 

প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যাবলী নিম্নরূপ

  • আধুনিক পানি সাশ্রয়ী কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ধানের ফলন বৃদ্ধি;
  • সেচের পানির ব্যবহার দক্ষতা বৃদ্ধি;
  • ট্রাইকোডার্মার মাধ্যমে কম্পোষ্ট উৎপাদন ও ব্যবহার করে মাটি উর্বরতা বৃদ্ধি করা;
  • আধুনিক পানি সাশ্রয়ী ধান চাষ প্রযুক্তি সম্পর্কে কৃষকের জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধি;
  • খামার পর্যায়ে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ও খামারের উৎপাদনশীলতা উন্নয়নের মাধ্যমে পল্লী জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানন্নোয়ন করা।

 

প্রকল্প এলাকাঃ 

বিভাগের নাম জেলা ও সাইট  বিভাগওয়ারী সাইটের সংখ্যা

রাজশাহী

রাজশাহী-৬,  চাপাইনবাবগঞ্জ-৪, নওগাঁ-৪, জয়পুরহাট-৬, বগুড়া-২৮, সিরাজগঞ্জ-৮, পাবনা-৬, নাটোর-৬  (মোট জেলা ৮ টি)

৬৮টি

ঢাকা

ঢাকা-৪, নরসিংদি-৩, মানিকগঞ্জ-৩, ময়মনসিংহ-৬, শেরপুর-৪, টাঙ্গাইল-৬, গোপালগঞ্জ-৬, নেত্রকোনা-৪, কিশোরগঞ্জ-৪, জামালপুর-৪, গাজিপুর-৪, ফরিদপুর-৪, মাদারিপুর-৪ (মোট জেলা ১৩টি)

৫৬টি

খুলনা

খুলনা-২, বাগেরহাট-২,  সাতক্ষীরা-১২, যশোর-৪, ঝিনাইদহ-৪, কুষ্টিয়া-৪ (মোট জেলা ৬টি)

২৮টি

চট্রগ্রাম

চাঁদপুর-৪, কুমিল্লা-৪ (মোট জেলা ২টি)

০৮টি

বরিশাল

বরিশাল-৬  (মোট জেলা ১টি)

০৬টি

সিলেট

সিলেট-৪, মৌলভীবাজার-৪  (মোট জেলা ২টি)

০৮টি

রংপুর

পঞ্চগর-২, ঠাকুরগাঁ-২, দিনাজপুর-২, রংপুর-৬, লালমনিরহাট-২, নীলফামারী-৪, কুড়িগ্রাম-৪, গাইবান্ধা-৪  (মোট জেলা ৮টি)

২৬টি

মোট  ২০০টি

 

  • অনুমোদিত প্রকল্প বরাদ্দঃ ৩৯০২.০০ লক্ষ টাকা।
  • জুন, ২০১৬ পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত ব্যয়ঃ ৯০২.০০ লক্ষ টাকা।
  • চলতি (২০১৬-১৭) অর্থবছরে বরাদ্দঃ ৬০০.০০ লক্ষ টাকা।

 

প্রকল্পের মূল কার্যক্রম

  • প্রযুক্তিসমূহ সম্প্রসারনের জন্য একাডেমী খামারসহ ২০০ টি এলাকায় ফসল উৎপাদনে পানি সাশ্রয়ী মডেল (AWD, RB and SRI) প্রদর্শনী করা হবে এবং দেশের ৭ টি বিভাগের ৭ টি জেলায় ৭ টি মাদার ট্রায়েল করা।
  • একাডেমীর প্রদর্শনী খামারে (AWD, RB and SRI) প্রধান গবেষণা ল্যাবঃ স্থাপন।
  • খামার যান্ত্রিকীকরণে উৎসাহ প্রদানের অংশ হিসেবে পাওয়ার টিলারের সাথে প্রয়োজনীয় এ্যাটাচমেন্ট (বেড ফর্মার) ইত্যাদি যন্ত্রপাতি সংগ্রহ ও প্রকল্প এলাকায় কৃষকের মাঝে বিতরণ করা।
  • ৮০০ জনকে মডেল সম্পর্কে অবহিতকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণপ্রদান। ৮০০০ জন কৃষককে ফার্মার্স ফিল্ড স্কুল এবং ৩২০ জনকে মেশিনারী অপারেশন শীর্ষক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রশিক্ষি ত জনশক্তিতে রূপান্তরের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে;
  • প্রযুক্তিসমূহ বহুল জনপ্রিয়করণ ও প্রসারের জন্য ৫৬০ টি মাঠ দিবস আয়োজনের ব্যবস্থা করা;
  • সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিদর্শনের ব্যবস্থা;
  • প্রকল্পের সুফলভোগীদের বিভিন্ন আয়বর্ধনমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য প্রতি প্রকল্প এলাকায় গড়ে ২.৫০ লক্ষ টাকা ক্ষুদ্র ঋণের (সীড ক্যাপিটাল) ব্যবস্থা।
  • এ প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে প্রচলন ও সম্প্রসারণের জন্য ডক্যুমেন্টেশন ও প্রচারনা।
  • সরকারের নীতি নির্ধারক পর্যায়ে পরিকল্পা গ্রহণের জন্য ওয়ার্কসপ/সেমিনারের আয়োজন।

 

সেচ প্রকৌশলগত দিক 

  • মাটি, পানি ও ফসল নির্বাচন।
  • সেচ পানি পরিমাপ- পর্যবেক্ষণ কূপ, ফ্লুম ও একর ইঞ্চি।
  • ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর পরিমাপ 
  • ব্লক নির্বাচন 
  • সেচের পানির সিডিউলিং 
  • প্রযুক্তি- এডব্লিউডি, রেইজড বেড, এসআরআই ও ট্রাইকোকম্পোস্ট
  • কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার- বেড ফরর্মার, রাইচ ট্রান্সপ্লান্টার।

 

কৃষি তাত্ত্বিক দিক 

  • ফসল নির্বাচন 
  • জাত নির্বাচন 
  • ইনপুট (সার, বীজ, বালাইনাশক) সরবরাহ 
  • ফসলের পরিচর্যা 
  • ফসলের ফলন বৃদ্ধি (গবেষণা পদ্ধতি প্লট ও কৃষক প্লট)।

 

প্রাতিষ্ঠানিক দিক 

  • প্রদর্শনী ব্লক তৈরীর জন্য প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দ্যেশের সাথে সঙ্গিত রেখে সরকারী ও বেসরকারী/নতুন সংগঠন দল/সমিতি গঠন 
  • গ্রুপ তৈরী ও গ্রুপ কার্যাবলী নির্ধারণ 
  • সঠিক সময়ে উৎপাদন উপকরণ সরবরাহ 
  • নিয়মিত সেচ পরিমাপে দল থেকে ব্যক্তি নির্বাচন 
  • ফসল উৎপাদনে কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনা 
  • কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নিমিত্ত ঋণ সহায়তা।

 

 

সেচ পানি পরিমাপের ব্যবহৃত কাটথ্রট-ফ্লুম

 

 

প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

প্রারম্ভিক পরিকল্পনা ওয়ার্কসপ (তারিখ: ১০ ডিসেম্পবর ২০১৫)

আইটি ভবন, আরডিএ

 

প্রশিক্ষ

প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/এনজিও প্রতিনিধি, সুফলভোগী কৃষকগণ পানি সাশ্রয়ী এডব্লিউডি, রেইজড বেড, এসআরআই এবং ট্রাইকো কম্পোস্ট প্রযুক্তিসমূহ মাঠ পর্যায়ে ব্যবহারের কলাকৌশল সম্পর্কে হাতে কলমে ৮০০ জনকে মডেল সম্পর্কে অবহিতকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ; ৮০০০ জন কৃষককে ফার্মার্স ফিল্ড স্কুল এবং ৩২০ জনকে মেশিনারী অপারেশন বিষয়ক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও প্রযুক্তিসমূহ বহুল জনপ্রিয়করণ ও প্রসারের জন্য ৫৬০ টি মাঠ দিবস আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে। নিম্নে প্রদত্ত প্রশিক্ষণের অগ্রগতি উপস্থাপিত হলোঃ

Text Box: প্রারম্ভিক কর্মশালা, আইটি ভবন, আরডিএ
তারিখঃ ১০ ডিসেম্বর-২০১৫

প্রশিক্ষণের ধরণ

মেয়াদ

ব্যাচ সংখ্যা

প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা

মন্তব্য

ফার্মার্স ফিল্ড স্কুল (উপ-প্রকল্প এলাকা)

২ দিন

৩০

১২০০

প্রতি ব্যাচে ৪০ জন

ফার্মার্স ফিল্ড স্কুল/ক্রস ভিজিট (মাদার ট্রায়েলের আওতায়)

২/১ দিন

২৮০

প্রতি ব্যাচে ৪০ জন

ফার্মার্স ফিল্ড স্কুল (আরডিএ ল্যাবঃ এলাকায়)

২ দিন

৮০

প্রতি ব্যাচে ৪০ জন

অবহিতকরণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

(উপ-প্রকল্প এলাকা)

৩ দিন

০৯

২২৫

প্রতি ব্যাচে ২৫ জন

অবহিতকরণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

(মাদার ট্রায়েলের আওতায়)

৩ দিন

১০০

প্রতি ব্যাচে ২৫ জন

কৃষি মেশিনারী অপারেশন

২ দিন

৩২

প্রতি ব্যাচে ১৬ জন

মাঠ দিবস (উপ-প্রকল্প এলাকা/মাদার ট্রায়েল/ল্যাব এলাকা)

 

৬০

২৪০০

প্রতি ব্যাচে ৪০ জন

 

 

মডেল প্রদর্শনী কার্যক্রম

  • প্রকল্পের আওতায় নির্ধরিত প্রকল্প এলাকায় জরীপ পরিচালনা করে ৩০টি উপ-প্রকল্পে গ্রুপ নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্ত র পরিমাপ, সেচ পানির দক্ষতা নিরূপন ও ব্যবহার সম্পর্কীত জরীপ চলমান;
  • ২০০টি উপ-প্রকল্পের মধ্যে জুন-২০১৬ পর্যন্ত ৩০টি উপ-প্রকল্পেসহ ১টি মাদার ট্রায়ালে প্রদর্শনী ব্লক তৈরী হয়েছে। প্রদর্শনী ব্লকগুলিতে খরিপ-২/১৬ মৌসুমের প্রদর্শনী শেষ হয়েছে, পাশাপাশি চলতি অর্থ বছরে ৩৫টি উপ-প্রকল্প এলাকা নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত এলাকাগুলিতে রবি/১৬-১৭ মৌসুমের কার্যক্রম চলমান।
  • মাদার ট্রায়েলের জন্য ৭বিভাগের ৭টি এলাকা জরীপ পরিচালনা করে ৭টি মাদার ট্রায়েল ফিল্ড তৈরী করা হয়েছে।
  • আরডিএ প্রদর্শনী খামার গবেষণার মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলে প্রযুক্তিসমূহের উপর গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে প্রদর্শনীর চিত্র

 

প্রকল্পের সুবিধাভোগিদের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করছেন  জনাব  এ. এন. শামছুদ্দিন আজাদ চৌধুরী, সদস্য, কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশন

* ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত মোট ২১টি পাওয়ার ট্রিলার (বেড ফর্মারসহ) উপ-প্রকল্পের সুফলভোগী সদস্যদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

 

প্রকল্পের সুবিধাভোগিদের তালিকা: ২০১৫-১৬.......                                ২০১৬-১৭..........

 

পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তিসমূহ পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তিসমূহ

Share with :