Wellcome to National Portal
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ জুন ২০২২

মেকিং মার্কেটস ওয়ার্ক ফর চরস (M4C) শীর্ষক ২য় পর্যায় প্রকল্প

প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভার কার্যবিবরণীসমূহ:

প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির ১ম সভার কার্যবিবরণী (১২/১০/২০২১)

২। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির ১ম সভার কার্যবিবরণী (২৫/১০/২০২১)

৩। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির ২য় সভার কার্যবিবরণী (২৫/০১/২০২২)

৪। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির ২য় সভার কার্যবিবরণী (০১/০৩/২০২২)

৫। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির ৩য় সভার কার্যবিবরণী (০৭/০৬/২০২২)

৬। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির ৪র্থ সভার কার্যবিবরণী (২১/০৬/২০২২)

 

 

প্রকল্পের শিরোনাম

:

মেকিং মার্কেটস ওযার্ক ফর চরস (M4C) প্রকল্প ২য় পর্যায়।

 

 

ক) উদ্যোগী মন্ত্রণালয়/বিভাগ

:

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

 

 

খ) বাস্তবায়নকারী সংস্থা

:

পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (আরডিএ), বগুড়া, বাংলাদেশ।

 

 

প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় (লক্ষ টাকায়)

 

 

মোট

:

৫৯৮৬.০০ লক্ষ টাকা

 

 

জিওবি

:

১৪৭৬.০০ লক্ষ টাকা

 

 

প্রকল্প সাহায্য

:

৪৫১০.০০ লক্ষ টাকা

 

 

প্রকল্পের অর্থায়ন

:

SDC (Swiss Agency for Development and Cooperation) ও জিওবি

 

 

প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাল

 

 

 

 

ক) শুরুর তারিখ

:

০১ জানুয়ারী, ২০২১

 

 

খ) সমাপ্তির তারিখ

:

৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪

 

 

প্রকল্প এলাকা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মানচিত্র সংযুক্ত করতে হবে)

:

দেশের ০৬টি জেলা যেমন- গাইবান্ধা,  কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর, জামালপুর এবং শরিয়তপুর জেলার চরাঞ্চল।

 

প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত পটভূমি ও প্রস্তাবিত মূল কার্যক্রম :

প্রকল্পের উদ্দেশ্য:

সামগ্রিক লক্ষ্যঃ সামগ্রিক লক্ষ্য হল ৬টি জেলার (উত্তর ও উত্তর-পুর্বাঞ্চলের ৫টি এবং দক্ষিণাঞ্চলে ১টি) কমপক্ষে ৭৫,০০০ চর পরিবারের (মহিলা, পুরুষ এবং শিশু) উন্নয়ন ঘটানো এবং তাদের আয় ১৪.৫ মিলিয়ন CHF (Swiss Franc/currency of Switzerland; 1 CHF= BDT 82) বৃদ্ধি করা।

প্রকল্পের মূল লক্ষ্যঃ

১.১ চরাঞ্চলে জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারী কৃষি-ব্যবসা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষি পণ্যের (শস্য, প্রাণি সম্পদ খাত) উৎপাদন ও গুণগতমান বৃদ্ধি করে চর পরিবারের আয় বৃদ্ধি করা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা;

১.২ স্থানীয় ব্যবসার প্রসারে আধুনিক প্রযুক্তি/উদ্ভাবনী প্রয়োগ এবং এ সকল স্থানীয় উদ্যোক্ততাদের আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ের ভ্যালু চেইনে সম্পৃক্ত করে পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে সব সময় চর জনগোষ্ঠীর মাঝে বাণিজ্যিক কর্মকান্ড চলমান রাখা;

১.৩ চরের অবকাঠামোগত (বাজার ব্যাবস্থা) উন্নয়নের ক্ষেত্রে মূলধন সংস্থানের জন্য সরকারী-বেসরকারী অংশীদারিত্ত্ব/সরকারী প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্তকরণে মধ্যস্থতা করা।

সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য: প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যগুলি নিম্নরূপ-

১.৪ চরাঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে আচরণগত পরিবর্তন ঘটিয়ে চরের ঝুঁকি হ্রাস করা;

১.৫ চরাঞ্চলের বসবাসকারী পরিবারের জন্য উন্নত কৃষি (ফসল ও প্রাণিসম্পদ) উপকরণ সরবরাহ ও কৃষি কাজে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা।

১.৬ চরাঞ্চলের বসবাসকারী পরিবারের উৎপাদিত পণ্যের ন্যার্যমূল্য নিশ্চিতকরণে জন্য স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বিদ্যামান মার্কেটের সাথে আন্ত:সংযোগ স্থাপন;

১.৭ চরাঞ্চলের বসবাসকারী পরিবারের জন্য আরডিএ-ঋণ অথবা অন্যান্য ক্ষুদ্র ঋণ দাতাসংস্থাকে সম্মৃক্ত করে মৌসুমি ঋণ  এবং বিশেষ ঋণ সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে আধুনিক পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন ও গবাদিপ্রাণি লালপালন কার্যক্রম লাভজনক করা;

১.৮ চরাঞ্চলে আধুনিক ব্যবসায়িক পদ্ধতি, বিনিয়োগ, ব্যবসা সম্প্রসারণে কোম্পানি, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে সম্পৃক্ত করণের মাধ্যমে টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।

প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত পটভূমি:

সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম এবং জামালপুর জেলার চরাঞ্চলে বসবাসকারী দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে DFID এর আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ সরকার ২০০৪-২০১০ মেয়াদে “চর জীবিকায়ন কর্মসূচি (CLP)” শীর্ষক বিনিয়োগ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। উক্ত প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় ২০১১-২০১৬ মেয়াদে CLP – ২য় পর্যায় বাস্তবায়িত হয়েছে। CLP – ২ প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের উৎপাদিত পন্নের সহজ বাজার জাতকরণ ও পণ্যের সঠিক মূল্য নিশ্চিত করনের লক্ষ্যে SDC এর আর্থিক সহায়তায় মোট ৯২৬২.৮৫ লক্ষ (জিওবি অনুদান ১৩৬৩.০০ লক্ষ টাকা ও SDC এর অনুদান ৭৮৯৯.৮৫ কোটি টাকা) প্রাক্কলিত ব্যয়ে এবং মে ২০১৩ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ মেয়াদে উত্তর ও উত্তর-পূর্বামাঞ্চলের ১০টি জেলায় আলোচ্য “যমুনা, পদ্মা এবংতিস্তা চর অঞ্চলের মার্কেট চ্যানেল উন্নয়ন (M4C)” শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়। প্রকল্পের আওতায় ১০ জেলার  ৯২ হাজার পরিবারের আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করা হয়।

চরগুলো ভৌগলিক ভাবেই অসম, বিস্তৃর্ণ এবং সমতল ভূমি ও কৃষি উর্বরতা সমৃদ্ধ মাটি থেকে দূরে অবস্থিত। কিছু কিছু চর মৌসুমে মূল ভূ-খন্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে যখন অন্য চর গুলো দ্বীপ। চরে বসবাসীকারী বেশীরভাগ মানুষই গরীব এবং মৌসুমে বন্যা কবলিত, যা তাদের আবাস ভূমি, বাসস্থান, গৃহ-সরঞ্জাম, খাদ্য-দ্রব্য এবং গবাদিপশু প্লাবিত করে। চরের এই ভৌগলিক বিপর্যয় এবং মূল-ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্নতা নির্ভর করে চরগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর। তদুপরি, চরগুলো অনেকগুলি অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সম্ভাবনাকে আকড়ে ধরে আছে, যেমন ক) গবাদি পশু লালন-পালনের ক্ষেত্রে তুলনামূলক তৃণ-ভূমির সুবিধা এবং অন্যভাবে বলতে গেলে, রোগ জীবাণুর উৎস থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন; এবং খ) নদীস্রোত বা বন্যাদ্বারা সঞ্চিত পলিজ, যা কৃষিকাজে কিছু কিছু ফসলের জন্য মাটির উর্বরতাকে বৃদ্ধি করে। নানা প্রকারের ফসল চরে চাষ করা হয়ে থাকে, যেমন, ধান, ভুট্টা, চিনাবাদাম, পিয়াজ, কুমড়া, লাউ এবং অন্যন্যা শাক সবজি, সরিষা, মরিচ, আলু, পাট, হলুদ, গবাদি পশুর খাদ্য ইত্যাদি। এই উৎপাদিত শস্যগুলো এক দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের আয়ের অন্যতম উৎস এবং অপর দিকে কৃষিকাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের কর্ম সংস্থানের চাহিদাবৃদ্ধি করে। মাটির উর্বরতার জন্য (মূল-ভূখন্ডের তুলনায়) এবং পতিত জমি বা অব্যবহৃত জমির (অর্থায়নের অভাবে যেগুলো অকর্ষণ/পতিত জমি) সহজ প্রাপ্যতা যেগুলোকে চাষযোগ্য করে তুলতে পারলে চরগুলো বাংলাদেশের একটি উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় উৎপাদন এলাকা/অঞ্চলে পরিগনিত হবে। চরগুলোর এই সম্ভাবনাকে যদি সঠিকভাবে কাজে লাগানো  যায় তাহলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধনের মধ্য দিয়ে চর এলাকাবাসীর দারিদ্রতা এবং অনিশ্চয়তা/বিপর্যয় অনেক হ্রাস করা যায়। বিস্তীর্ণ/বিচ্ছিন্ন এই চরগুলো বাজার অবকাঠামো একেবারেই কম বা নাই বললেই চলে (যেমন, হাটগুলো, ক্রয়-বিক্রয় কেন্দ্রসমূহ, যোগাযোগের সুব্যবস্থা এবং যানবাহনের অপ্রতুলতা)। তাই এখানে বাজার সুবিধার জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা দরকার যাতে করে চরের উৎপাদনশীল বাসিন্দাদের সঙ্গে ক্রেতাদের এবং তথ্য প্রদানকারীদের (মূল-ভূখন্ডের) সাথে যোগাযোগ/সংযোগ বৃদ্ধি করা।

উপরের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বাস্তবায়িত এম৪সি-১ম পর্যায় প্রকল্পের সাফল্য ও মূল্যায়ন প্রতিবেদনের সুপারিশের আলোকে ২য় পর্যায়ে ০৬টি জেলার (এম৪সি-১ম পর্যায় প্রকল্পের বাদপরা জনগোষ্ঠীর) আর্থিক সহায়তাসহ বাজার ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে চর এলাকার মানুষের  টেকসই দারিদ্র বিমোচন তথা জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের জন্য ২য় পর্যায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নে SDC ও বাংলাদেশ সরকার পুনরায় ১.৮ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের উত্তরাঞ্চলের ৫টি এবং দক্ষিণাঞ্চলে ১টি জেলার চরাঞ্চলের মানুষের টেকসই উন্নয়নে আলোচ্য প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পের মূল কার্যক্রম

:

 

প্রস্তাবিত প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের নিমিত্ত নিম্নবর্ণিত কার্যক্রমসমূহ গ্রহণ করা হবেঃ

চরাঞ্চলে একটি ভালো মার্কেট ব্যবস্থা ও পরিবেশগতভাবে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য এমফোরসি এর ইন্টারভেনশন গুলোকে মুলত ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে । এগুলো হল-

১) চর অঞ্চলে নিরাপদ মানের কৃষি উপকরন, কৃষিপণ্যের বাজার ব্যবস্থা  তৈরি করা;

২) সরকারী/বেসরকারী সংস্থা সম্পৃক্ত করনের মাধ্যমে চরাঞ্চলে কৃষি ঋণের সুযোগ সৃষ্টি করা, ৩) চর অঞ্চলে নতুন নতুন উদ্ভাবনী ব্যাবসা সৃষ্টি করা ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা এবং

৪) অবকাঠামো খাতে সরকারি বিনিয়োগ সুসংহত করার লক্ষে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে  বাজার ব্যাবস্থা উন্নয়ন এপ্রোচ এর ক্যপিটালাইজেশন ও সংস্থাপন ঘটানো। এছাড়াও নিম্নবর্নিত সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমগুলি গ্রহন করা হবে

  • চাষাবদ ও গবাদিপ্রাণি উন্নয়ন, বাজার ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও ঋণ সহায়তা প্রদান;
  • চর অঞ্চলে নতুন নতুন উদ্ভাবনী ব্যাবসা সৃষ্টি করা ও নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা;
  • চর উপযোগী ফসল ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে উপকরণ সরবরাহ ও প্রযুক্তিগত সুবিধা সম্প্রসারণ।
  • আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সহ অফ-গ্রিড চর অঞ্চলগুলির জন্য সৌর শক্তি সম্প্রসারণে সম্ভাব্যতা এবং অন্যান্য বিকল্প ব্যবস্থার অন্বেষণে করা গবেষণা ও প্রাযোগিক গবেষণা পরিচালনা;

প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবাঃ এমফোরসি কিছু অভিনব পন্থা অনুসন্ধান করবে যাতে করে চরবাসিরা সহজে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা স্থানীয় পর্যায়ে পেতে পারে যেমন ভাসমান হাসপাতালের ব্যবস্থা করা, কমিউনিটি প্যারামেডিকস তৈরি করা ইত্যাদি।

অবকাঠামো খাতে সরকারি বিনিয়োগ সুসংহত করার লক্ষে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাজার ব্যাবস্থা উন্নয়ন এপ্রোচ এর ক্যপিটালাইজেশন ও সংস্থাপন ঘটানো;

চর রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিডিআরসি) এর সক্ষমতা জোরদার করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ; যাতে দীর্ঘমেয়াদী চর উন্নয়ন পরিকল্পনা করা ও তা বাস্তবায়ন করা যায়। বিশেষত, সিডিআরসি নিম্নলিখিত কাজগুলি সম্পাদন করার জন্য এমফোরসি প্রকল্প সাহায্য করবে: (i) তথ্য এবং অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করা; (ii) জ্ঞান বিনিময় প্ল্যাটফর্ম হিসাবে চর প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রচার; এবং, (iii) সরকারী এবং বেসরকারী খাতের উদ্যোগকে উৎসাহী করার জন্য লাইন বিভাগগুলির সাথে নেটওয়ার্ক তৈরি করা (পিপিডিপিসহ)।

 

 

প্রকল্পের অগ্রগতি

বাস্তব অগ্রগতি: নভেম্বর, ২০২ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বাস্তবায়ন অগ্রগতি

  • গবাদি পশুর মানসম্পন্ন উপকরন প্রচার ও বিতরণের জন্য ৯টি কৃষি উপকরন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান/এগ্রো-ইনপুট কোম্পানীকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
  • ৮ টি পোল্ট্রি হ্যাচারীকে নিযুক্ত করা হয়েছে যেখানে ১২০০ জন মহিলা  ৮,০০০ দেশীয় মুরগি পালনরে সাথে যুক্ত।
  • গাভী পালন ও গরু মোটাতাজাকরণ বিষয়ক এবং নার্সারী ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ৬০ জনের উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কোর্স চলমান রয়েছে।
  • ভিশন সেটিং ওয়ার্কসপ ফর ডিজাস্টার রিস্ক রিডাক্টশন সম্পন্ন হয়েছে।
  • জেলা পর্যায়ের ওয়ার্কসপ আয়োজন প্রক্রিয়া চলমান।
  • ৩ টি জেলায় ডিস্ট্রিবিউটার মিট ও ট্রেডার্স মিট সম্পন্ন হয়েছে।
  • ১২ জন মহিলা ভ্যাক্সনিটের (মুরগরি জন্য) নিযুক্ত করা হয়েছে ।
  • ৭,৫০০ মেট্রিক টন ভূট্টা, ৪৫,০০০ মেট্রিক টন আলু, ৩২,০০০ মেট্রিক টন মিষ্টি কুমড়া সংগ্রহ/ক্রয় করা হয়েছে।
  • ১৫ টি প্রোকিউরমেণ্ট সেণ্টার তৈরি সম্পন্ন হয়েছে ।

৪ টি মাইক্রোফিন্যান্স (এনডিপি, এসকেএস, গাক এবং ইএসডিও) এর মাধ্যমে ৬০০ জন কৃষক ও ১৫০ জন উদ্যোক্তার মাঝে সর্বমোট ২.৫ কোটি টাকা মৌসুমী ঋণ ও উদ্যোক্তা ঋণ বিতরণ করেছে। 

 

আর্থিক অগ্রগতি:

প্রকল্পটি মোট ৫৯৮৬.০০ লক্ষ (জিওবি: ১৪৭৬.০০ লক্ষ এবং প্রকল্প সাহায্য: ৪৫১০.০০ লক্ষ) টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ০১ জানুয়ারি, ২০২১ হতে ডিসেম্বর, ২০২৪ মেয়াদে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। প্রকল্পটির অনুকূলে জুন, ২০২১ পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত মোট বরাদ্দ ১,৫৮০.০০ (জিওবি ৩৬৮.০০ লক্ষ এবং প্রকল্প সাহায্য ১,২১২.০০ লক্ষ) টাকা জুন, ২০২১ পর্যন্ত সময়ে ক্রমপুঞ্জিত ব্যয় ০০.০০ লক্ষ টাকা যা মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের (০০.০০%) এবং ক্রমপুঞ্জিত বাস্তব অগ্রগতি ০০.০০%।

প্রকল্পটির অনুকূলে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের এডিপিতে মোট ১,৫৮০.০০ (জিওবি ৩৬৮.০০ লক্ষ এবং প্রকল্প সাহায্য ১,২১২.০০ লক্ষ) টাকা বরাদ্দ রয়েছে। নভেম্বর, ২০২১ পর্যন্ত সময়ে অর্থ অবমুক্ত হয়েছে মোট ১,৩১৩.৩৫ লক্ষ (জিওবি ১৮৪.০০ লক্ষ এবং প্রকল্প সাহায্য ১,১২৯.৩৫ লক্ষ) টাকা এবং ব্যয় হয়েছে মোট ১,১৭৮.৫১ লক্ষ (জিওবি ৪৯.১৬ লক্ষ এবং প্রকল্প সাহায্য ১,১২৯.৩৫ লক্ষ) টাকা যা বরাদ্দের (৭৫.০০%) এবং বাস্তব অগ্রগতি ৬৫.০০%।

 

 

চরে উৎপাদিত কৃষিপণ্য

 

 

 

প্রকল্পের আওতায় ২৮ নভেম্বর-০২ ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রি. (৫ দিন) মেয়াদী গাভী পালন এবং গরু মোটাতাজাকরণ বিষয়ক উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

 

ফেসবুক পেজ......

 

 

2021-06-09-06-46-b45fa33f9650db21a508866b9a721c10.pdf 2021-06-09-06-46-b45fa33f9650db21a508866b9a721c10.pdf


Share with :

Facebook Facebook